সম্প্রতি কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের আমির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দু গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে! এই সংঘর্ষের পর দলের সিনিয়র নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি-কে প্রধান করে ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকর রহমান!

৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মহানগর জামায়াতের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসতে পারেন, কুমিল্লাজুড়ে চলছে নানা আলোচনা, বিশ্লেষণ ও সমীকরণ।

দলটির সমর্থকেরা ভিন্ন ভিন্ন মত পোষন করছেন! কেউ বলছেন আগের নেতৃত্ব তদন্তে দায়ি হতে পারেন এবং সবাইকেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হতে পারে।

নতুনদের মধ্যে তুমুল আলোচনায় রয়েছেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক দুই কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কুমিল্লারই সন্তান ইয়াসিন আরাফাত ও ডঃ মোবারক হোসাইন।

কেউ কেউ আলোচনা তুলছেন সদ্য সাবেক শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের কথাও!

অন্য একটি পক্ষের দাবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, প্রবীণ দায়িত্বশীল এবং স্কুল এন্ড কলেজের দীর্ঘদিনের অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলালকেও নেতৃত্বে নিয়ে আসা হতে পারে!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াতের এক রুকন জানান, কুমিল্লার সন্তান ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাকালীন কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা এডভোকেট জসীমউদ্দীন সরকারকেও কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের নেতৃত্বে নিয়ে আসা হতে পারে, তারা সেটা আশঙ্কা করছেন!

আরেক রুকন জানান, অধ্যাপক একেএম এমদাদুল হক মামুনের জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতা কুমিল্লায় তুলনাহীন! তাকে বাদ দিয়ে কোন কিছু চিন্তা করা হলে কুমিল্লাবাসী মেনে নেবে না, বরং আরো ভয়াবহ সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কুমিল্লার জামায়াতে ইসলামী অত্যন্ত সংকটাবস্থা অতিক্রম করছে! তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার পর দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান কি সিদ্ধান্ত নেন সে দিকে তাকিয়ে আছে সবাই।

.fb-background-color { background: #ffffff !important; } .fb_iframe_widget_fluid_desktop iframe { width: 320px !important; }