তিনি জানান,
❝বাদি জামায়াত নেতা মাহবু্ুবুর রহমানের ২ মামলায়
ওমর ফারুকের ৩ বছরের সাজা এবং ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা জরিমানা
আমি মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর সেক্রেটারির দায়িত্বে আছি। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনা হলো অভিযোগকারী ওমর ফারুকের সাথে আমার জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত একটি লেনদেন হয়। ওমর ফারুক একটি মার্বেল টাইলস ফ্যাক্টরি করবেন বলে আমার থেকে ৮১ শত জমি সাব কবলা দলিল নিয়ে যায়। আমি অতি বিশ্বাস থেকে কোনরকম টাকা না নিয়েই তাকে এই জমি দলিল করে দেই। কথা ছিল ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে আমার টাকা পরিশোধ করবেন। ব্যাংক লোন করতে ব্যর্থ হয়ে তারা আমার ৮১ শতক জায়গা ফেরত দেন। আমি উক্ত ৮১ শতক জায়গা আমার স্ত্রীর নামে পাওয়ার দলিল নিয়ে নেই।
এছাড়াও আমি তাদেরকে অন্য মালিকদের থেকে ১৯৯ শতক জায়গা রেজিস্ট্রি বায়না তাদের নামে করিয়ে দেই। বায়নার টাকা আমি পরিশোধ করেছিলাম। আমার টাকার নিরাপত্তা ডকুমেন্ট হিসেবে তারা আমাকে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার ২ টি ব্যাংক চেক প্রদান করেন। আমার পাওনা ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা দিমু দিচ্ছি বলে তারা ৪ বছর পার করে। কিন্তু টাকা ফেরত না দেওয়ায় আমি বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ২ টি চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করি। সাক্ষ্য প্রমাণে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামি ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে এক বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা জরিমানর আদেশ দেন। আমার দায়ের করা অপর মামলায় আসামি ওমর ফারুককে বিজ্ঞ আদালত দুই বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
মূলত ওমর ফারুক মামলার আসামি আর আমি ছিলাম বাদি। তিনি তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি এবং আদালতের রায় অনুযায়ী আমি তার কাছে বর্তমানে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পাওনা আছি।
আমি সরল মনে তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু তিনি একজন প্রতারক, ভূমিদস্যু ও আদালত কর্তৃক সাজা প্রাপ্ত ফেরারি আসামি। আমার সম্মানহানি করতে এবং আমার পাওনা টাকা না দিয়ে প্রতারণা করছেন তিনি। গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে হ্যাঁ প্রতিপন্ন করতে এবং আমার সম্মানহানি করতে তিনি পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।❞