কুমিল্লা সাংবাদিক বাহার উদ্দিন রিহান তাঁর ফেইসবুক আইডিতে লিখেন,
❝কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে জমি দখল ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
ব্যবসায়িক অংশীদারকে জিম্মি করে প্রকল্পের জমি স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়া, খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও ব্যাংকের চেক ছিনিয়ে নিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মো. ওমর ফারুকের দাবি, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কুমিল্লায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে তাঁকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখানোর মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি ও ব্যাংকের দুটি খালি চেক নেওয়া হয়। পরে ওই চেকের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রতিবেদন দাখিল করে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক সর্দার। তাঁর ভাষ্য, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে মাহবুবুর রহমান বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত। তিনি দাবি করেন, অভিযোগকারীর কাছে তাঁর ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে এবং এ নিয়ে দুটি মামলা রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, অভিযোগটি আওয়ামী লীগ আমলের তদন্তের ভিত্তিতে করা হয়েছে, যা প্রতারণামূলক।
অভিযোগকারী ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন ও উভয় পক্ষের বক্তব্যের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি এবং মামলার বর্তমান অবস্থা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।❞