সম্প্রতি ব্যাংকটির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসাইন শিকদার লিখেন,

❝একই প্রতিষ্ঠানে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও জ্যেষ্ঠতাকে উপেক্ষা করে যদি সিনিয়র দুইজনকে পাশ কাটিয়ে ৩ নম্বর এবং ১১ নম্বর অবস্থানে থাকা কাউকে পদোন্নতি দেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—এ কেমন নীতি, এ কেমন বিচার?

পদোন্নতি কারও ব্যক্তিগত অনুগ্রহ নয়; এটি একজন কর্মীর যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, কর্মদক্ষতা ও জ্যেষ্ঠতার যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়। সিনিয়রদের প্রাপ্য অধিকার উপেক্ষা করে এমন সিদ্ধান্ত কর্মীদের মাঝে হতাশা ও বৈষম্যের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

এই ধরনের বৈষম্যমূলক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

বৈষম্য আন্দোলনের সর্বপ্রথম সূত্রপাত হয়েছিলে কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যটা হচ্ছে এই চট্টগ্রামের মানুষের প্রতি।

ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে এই বৈষম্যের বিষয়টা দিন দিন মারাত্মক আকার ধারণ করতেছে। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকে SEVP সর্বমোট ১৩ জন। আপনারা হয়তো সবাই জানেন আজকে ইসলামী ব্যাংকের দুইজন ডিএমডি নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে যাদের ডিএমডি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের অবস্থান যথাক্রমে ৩য় এবং ১১তম।

প্রথম এবং দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল যথাক্রমে জি এম মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন কাদের স্যার এবং এ এস এম রেজাউল করিম স্যার। ওনাদের জন্ম কিন্তু বীরচট্রলায়। দুইজন স্যার কিন্তু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

শুধুমাত্র চট্টগ্রামের হওয়ার কারণে আজ তাদেরকে ডিএমডি করা হইল না। আর যাদের ডিএমডি করা হলো ওনারা একজন বরিশালের অন্য জন নোয়াখালীর। মূলত ইসলামী ব্যাংকে বরিশাল আর নোয়াখালীর জয়জয়কার ।

হয়তো চট্টগ্রামের মানুষ আজ নিরব, যেদিন চট্টগ্রাম বাসীর ঘুম ভাঙবে, বাংলাদেশ তুমি মনে রেখো তাদেরকে কন্ট্রোল করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে।

এখনো সময় আছে বৈষম্যের অবসান ঘটান। সবার ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিন। আর নয়তো অপেক্ষা করুন ওই দিনের জন্য, যেদিন নিজেদের উপর বৈষম্য হবে। কিন্তু মুখ খুলে বলার সাহস থাকবে না❞

.fb-background-color { background: #ffffff !important; } .fb_iframe_widget_fluid_desktop iframe { width: 320px !important; }