একই সঙ্গে ঋণ অনুমোদন, ঋণ নবায়ন, ঋণসীমা বাড়ানো এবং বড় অঙ্কের আমদানি-রপ্তানি অর্থায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতেও জটিলতা তৈরি হয়েছে।
ব্যাংকটির করপোরেট বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বড় করপোরেট গ্রাহকদের ঋণসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়মিত প্রক্রিয়ায় এগোলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের পর্যায়ে গিয়ে আটকে যাচ্ছে। ঋণ নবায়ন, সীমা বাড়ানো, নতুন ঋণ সুবিধা এবং বড় অঙ্কের আমদানি-রপ্তানি অর্থায়নের মতো প্রস্তাবে উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ না থাকায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের একজন ডিএমডি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকটির সঙ্গে ব্যবসা করা গ্রাহকেরাও এখন পর্ষদ না থাকায় ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ না থাকায় ভালো করপোরেট প্রতিষ্ঠানে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সংকট তৈরি হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত এমডিকেও নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
ব্যাংকটির মাধ্যমে এখনো কয়েকশ পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য এলসি খোলা ও চলতি মূলধনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থায়ন পাচ্ছে না। কেউ কেউ এলসি খুলতে গিয়ে বিলম্বের মুখে পড়ছেন। এতে ব্যাংকটির দীর্ঘদিনের ভালো গ্রাহকদের একটি অংশও ব্যবসায়িক ঝুঁকিতে পড়েছে।
(টিবিএস এর সৌজন্যে…)