৩০ বছর ধরে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমীর পদে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। এ নিয়ে দলের ভেতর বাহিরে নানান আলোচনা -সমালোচনা চলছে!
জামায়াত নেতা ও ফেইসবুক এক্টিভিষ্ট সোলাইমান কবির মাসুম লিখেন- ❝আগে জানতাম ও শুনতাম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্র জীবন শেষ করে আমীরে জামায়াত যাকে যেখানে বৃহত্তর আন্দোলনে দায়িত্ব পালন করার জন্য বলতেন তারা সেখানে বিনা প্রশ্নে চলে যেতেন।এখন এমন নিয়ম আছে কিনা ঠিক বুঝতে পারছিনা।
এখন প্রতি বছর একজন করে কেন্দ্রীয় সভাপতি বিদায় নিচ্ছেন।তারা অধিকাংশই রাজধানী ঢাকায় কর্মজীবন ও সাংগঠনিক জীবন সেটেল হচ্ছেন।ঢাকা দুই মহানগরীতে ডজনেরও বেশি শিবিরের সাবেক সভাপতি রয়েছেন।তাদেরকে কয়েকজনকে নিজ নিজ জেলা শহরে সেটেল করতে পারলে ঐ এলাকা গুলোতে সাংগঠনিক মজবুতি ও বিস্তৃতিতে অনন্য উদাহরন তৈরী হতো।
দেশের বিভিন্ন মহানগরী গুলোতে একই নেতৃত্ব একজন আমীর যুগের পর যুগ একই চেয়ারে আমীরের দায়িত্ব পালন করে আসছেন ! এই নিয়ে প্রশ্ন করলে বক্তব্য হলো পরবর্তী আমীর হওয়ার মতো যোগ্য কোন লোক নেই !
উদাহরন স্বরুপ বলতে পারি কুমিল্লা মহানগরীর বর্তমান আমীর জনাব কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ভাই দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক সময় একই চেয়ারে আছেন ! এই নিয়ে যখনই কৌতুহলি প্রশ্ন তখনই জবাব হলো আমীর হওয়ার মতো যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি ! যদিও এই উত্তরটা অনেকের কাছে মোটেও গ্রহনযোগ্য নয়।
অথচ গত ৭/৮ বছরে কুমিল্লা বাড়ী ৩ জন শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি কর্মজীবনে পদার্পন করে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছেন ! যেহেতু কুমিল্লার স্থানীয়দের মধ্য হতে আমীর হওয়ার মতো নেতৃত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তাই বিদায়ী তিন জন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে কোন একজনকে কুমিল্লায় নিয়ে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য বিবেচনা করা যেতো?
কুমিল্লা মহানগরীরতে ত্রিশ বছরের অধিক সময় একজন মহানগরীর আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ! যা বর্তমান এই সময়ে কোন ভাবেই গতিশীল সংগঠনের উদাহরন বহন করে না !
এখন প্রশ্ন হলো সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিরা নিজ এলাকা জেলা/ মহানগরীতে যেতে চাচ্ছেন না ? নাকি কেন্দ্রীয় সংগঠন পাঠানোর প্রয়োজনবোধ করছেন না ? নাকি স্থানীয় নেতৃত্ব তাদেরকে রিসিভ করার মতো সার্বিক অবস্থায় নেই ?
পুরো দেশে সাংগঠনিক মজবুতি ও বিস্তৃতির জন্য শিবিরের বিদায়ী সভাপতির সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের স্থান নির্ধারনে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলদের পক্ষ হতে নিজ এলাকায় যাওয়ার বিষয়ে শক্ত ভুমিকা থাকা উচিত।❞