কেন্টাকির এক এলাকায় হঠাৎই শুরু হয় এক ‘হাই-প্রোফাইল’ ধাওয়া। আসামি? কোনো চোর-ডাকাত নয়, এক দুঃসাহসী মুরগি!
শুক্রবার রাতে মুরগিটিকে ধরতে মাঠে নামে পশু নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু মুরগি বেগম এত সহজে ধরা দেওয়ার পাত্র নন। এ গলি, সে বাড়ি ঘুরে সবাইকে নাকাল করার পর হঠাৎ পাশের একটি সুইমিং পুলে ঝাঁপ দিয়ে ‘কুল’ হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
অনেক নাটকীয়তার পর অবশেষে মুরগিটি নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় যে রাতের অ্যাডভেঞ্চার যথেষ্ট হয়েছে। এরপর শান্তভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
বর্তমানে কর্তৃপক্ষ ‘পলাতক মুরগি কাণ্ডের’ রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে এবং তার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে।